শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালমনিরহাট বুড়িমারি সড়কে মৃত্যুর মিছিল, বেপরোয়া ট্রাকের নিয়ন্ত্রন নেই ট্রাফিক বিভাগের বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় জাতীয় বীমা দিবস পালিত বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় চোর চক্রের তিন সদস্য সহ গ্রেফতার চার গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আগুন থামলেও থামেনি এতিমদের আত্বনাত ও আহাজারি ১০ লক্ষাধীক টাকা ক্ষতি সাধন জয়পুরহাটের জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে নবাগত লাইব্রেরিয়ান যোগদান করেছেন ইসলামপুরে গণসংযোগ করেছে আবিদা সুলতানা যূথী ইসলামপুরে মিথ্যা মামলায় হয়রানি শিকার ভুক্ত ভুগি পরিবার শিক্ষকের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিত, তদন্তে কমিটি বেওয়ারিশ সেবা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অন্ধ হাফেজদের নিয়ে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর রেজিষ্ট্রেশন চলছে নওগাঁয় ৫৫ বছর বয়সী কোহিনুরকে বাবার বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিল প্রকৌশলী মোয়াজ্জিম‌ হোসেন নওগাঁ দ্রুত বিচার পাওয়া জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে গ্রাম আদালত নওগাঁ গৌরশাহী মধ্যপাড়ায় আগুনে পুড়ে আলতাফ হোসেন নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নব-নির্বাচিত এমপির সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও বোরো ধানবীজের স্কীম পরিদর্শন করছেন বিএডিসি বগুড়া জোনের উপ-পরিচালক নওগাঁ মহিলা আওয়ামী লীগের ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নওগাঁর আত্রাই নদী থেকে বালু তোলায় ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন দেখার কেউ নেই নওগাঁ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে চার প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার চারশত টাকা জরিমানা কালাইয়ে জাতীয় বীমা দিবস ২০২৪ পালিত নওগাঁর একুশে পরিষদের সন্মানিত উপদেষ্টা অধ্যাপক নুরুল হক আর নেই নওগাঁয় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত নওগাঁ বাস্তবায়ন ইরিবোরো সমলয় চাষের প্রদর্শনী ও মাঠ দিবস পরিদর্শন করেন মতিউর রহমান

ইসলামকে মুছে ফেলতে চাইছে চীন: ১৬০ পাতার অ্যামনেস্টির রিপোর্ট

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১২ জুন, ২০২১
  • ১২৩ বার পঠিত

মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল চীনের উইঘুরদের নিয়ে নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি। বৃহস্পতিবার (১০ জুন) ‘আমরা যেন যুদ্ধের শত্রুপক্ষ’ শিরোনামের ১৬০ পাতার এই প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, চীন ইসলামকে মুছে ফেলতে চাইছে।

বিবিসি জানায়, ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে এ বছরের মে পর্যন্ত এ গবেষণা পরিচালনা করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এই প্রতিবেদনে ১২৮ জনের সাক্ষাৎকার রয়েছে। তার মধ্যে ৫৫ জন চীনের উইঘুর শিবিরে ছিলেন। আর ৬৮ জন সেই সব পরিবারের সদস্য, যাদের কেউ হারিয়ে গেছেন বা আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি।
রিপোর্টে তারা জানিয়েছে, শিনজিয়াং-এ ১০ লাখের বেশি মানুষকে শিবিরে পাঠানো হয়েছে। উইঘুর মুসলিমদের ভয় দেখানোর জন্য চীন তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থানগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। অ্যামনেস্টিকে প্রচুর সাক্ষী জানিয়েছেন, চীন ইসলামকেই মুছে ফেলতে চায়।
সাক্ষাৎকারে অনেকে বলেছেন, মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। মসজিদে ও মুসলিমদের বাড়িতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ছবি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন তারা।

অ্যামনেস্টি প্রতিবেদনে আরও জানায়, কোনো রকম সতর্কতা ছাড়াই উইঘুরদের মাঝরাতে বাড়ি থেকে তুলে শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের চীনের তৈরি সেসব তথাকথিত শিক্ষা-শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং জোর করে নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করানো হয়।। তারপর তাদের মধ্যে কিছু মানুষকে শিবিরে রাখা হয়, কারণ দেখানো হয়— তারা সন্ত্রাসবাদী সেই সঙ্গে তাদের বাইরে রাখলে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার অজুহাতে আটক রাখা হয়।
যাদের শিবিরে আটকে রাখা হয়েছিল, তাদের কয়েকজন মানবাধিকার সংস্থাটিকে জানান, ওই কথিত শিক্ষা শিবিরের অবস্থা চীনের কারাগারের থেকেও খারাপ। তাদের কথিত সংশোধন-ক্লাসে যেতে হয়। তার আগে সারা দিন তাদের বসিয়ে রাখা হয়। সেখানে চীনের তৈরি ইসলামের ‘খারাপ’ দিকগুলো নামের শিক্ষা বাধ্যতামূলকভাবে শিখতে হয়।
এ রিপোর্ট প্রসঙ্গে অ্যামনেস্টির সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাগনেস ক্যালামার্ড জানান, উইঘুরদের বিরুদ্ধে যাবতীয় অত্যাচার ও তাদের হেনস্তা করা বন্ধ করতে হবে। জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল আন্তোনিও গুতেরেসকে তারা জানাবেন, চীন বেআইনি কাজ করেছে এবং তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার। অ্যাগনেস ক্যালামার্ড ডয়চে আরো জানান, “এই প্রতিবেদনে সকল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে প্রমাণ হয়েছে চীন মানবতার বিরুদ্ধে যে অপরাধ করেছে। আমরা যে তথ্যপ্রমাণ দিয়েছি, তারপর চুপ করে থাকা মুশকিল।”
এর আগে উইঘুর মুসলিম জনসংখ্যা আগামী ২০ বছরে এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি। তারা জানায়, চীনে জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য যে নীতি রয়েছে তাতে এমনটা হতে পারে। বিবিসি জানায়, জার্মানির একজন গবেষক অ্যাডরিন জেনজ সম্প্রতি এক নতুন বিশ্লেষণের মাধ্যমে এ তথ্য তুলে ধরেছেন। ওই গবেষক দেখিয়েছেন, চীন সরকারের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য আঞ্চলিক নীতির কারণে জিনজিয়াংয়ে বসবাসরত সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যা আগামী ২০ বছরে ২৬ লাখ থেকে ৪৫ লাখ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By cinn24.com
themesbazar24752150