শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালমনিরহাট বুড়িমারি সড়কে মৃত্যুর মিছিল, বেপরোয়া ট্রাকের নিয়ন্ত্রন নেই ট্রাফিক বিভাগের বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় জাতীয় বীমা দিবস পালিত বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় চোর চক্রের তিন সদস্য সহ গ্রেফতার চার গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আগুন থামলেও থামেনি এতিমদের আত্বনাত ও আহাজারি ১০ লক্ষাধীক টাকা ক্ষতি সাধন জয়পুরহাটের জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে নবাগত লাইব্রেরিয়ান যোগদান করেছেন ইসলামপুরে গণসংযোগ করেছে আবিদা সুলতানা যূথী ইসলামপুরে মিথ্যা মামলায় হয়রানি শিকার ভুক্ত ভুগি পরিবার শিক্ষকের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিত, তদন্তে কমিটি বেওয়ারিশ সেবা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অন্ধ হাফেজদের নিয়ে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর রেজিষ্ট্রেশন চলছে নওগাঁয় ৫৫ বছর বয়সী কোহিনুরকে বাবার বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিল প্রকৌশলী মোয়াজ্জিম‌ হোসেন নওগাঁ দ্রুত বিচার পাওয়া জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে গ্রাম আদালত নওগাঁ গৌরশাহী মধ্যপাড়ায় আগুনে পুড়ে আলতাফ হোসেন নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নব-নির্বাচিত এমপির সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও বোরো ধানবীজের স্কীম পরিদর্শন করছেন বিএডিসি বগুড়া জোনের উপ-পরিচালক নওগাঁ মহিলা আওয়ামী লীগের ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নওগাঁর আত্রাই নদী থেকে বালু তোলায় ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন দেখার কেউ নেই নওগাঁ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে চার প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার চারশত টাকা জরিমানা কালাইয়ে জাতীয় বীমা দিবস ২০২৪ পালিত নওগাঁর একুশে পরিষদের সন্মানিত উপদেষ্টা অধ্যাপক নুরুল হক আর নেই নওগাঁয় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত নওগাঁ বাস্তবায়ন ইরিবোরো সমলয় চাষের প্রদর্শনী ও মাঠ দিবস পরিদর্শন করেন মতিউর রহমান

দল গোছানোর কাজেই মনোনিবেশ বিএনপির

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১
  • ১১৭ বার পঠিত

পরনির্ভরশীল না হয়ে নিজ দল গোছানোর কাজেই মনোনিবেশ করতে চায় বিএনপি। বিশেষ করে দলের মধ্যে গ্রপিং, বিভেদ দূর করার উপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এমনই ইঙ্গিত দিয়ে যাচ্ছেন দলের শীর্ষ নেতারা। তারা বলছেন, অতীতে দলকে ঐক্যবদ্ধ না করে একাধিক জোট করেও আন্দোলনে সফলতা আসেনি। এর পেছনে অন্যতম কারণ হচ্ছে, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য না থাকা। আন্দোলনের ঘোষণা আসলেও স্থানীয় নেতাদের সমর্থন না থাকা, এক গ্রুপ আরেক গ্রুপকে দমিয়ে রাখার কারণে কর্মসূচিগুলো সেভাবে আলোর মুখ দেখেনি। এবার দলটি সেই ভুল করতে চায়না। জোট বা ঐক্যফ্রন্ট থাকবে। তবে মূল ভূমিকায় ঐক্যবদ্ধ বিএনপিকেই দেখতে চায় দলের শীর্ষ নীতি নির্ধারকরা।
গতকাল শনিবার এক ভার্চুয়াল আলোচনায় বিএনপি মহাসচিব স্পষ্ট করে বলেছেন, সরকার পতনের আন্দোলন শুরুর আগে অতিদ্রুত দলের মধ্যকার ‘বিভেদ-গ্রুপিং’ দূর করতে হবে। আসুন অতি দ্রুত আগামীতে আমরা নিজেদেরকে পুরোপুরি সংগঠিত করে ফেলি, নিজেদের ভুল বুঝাবুঝি, বিভেদগুলো দূর করি এবং একত্রিত হয়ে, ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণকে একত্রিত করে আমরা এই যে দানব আমাদের বুকে ওপর চেপে বসেছে, তাকে সরিয়ে সত্যিকার অর্থেই একটি নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে মধ্য দিয়ে আমরা যেন জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারি, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে পারি সেজন্য কাজ করি। বর্তমান অবস্থাকে সংকটময় অভিহিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, এই অবস্থার পরিবর্তন বিএনপিকেই করতে হবে। অন্য কেউ এসে আমাদেরকে করে দিয়ে যাবে না। বিএনপিকে দায়িত্ব নিতে হবে। বিএনপি হচ্ছে সেই দল যারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে, বিএনপি হচ্ছে সেই দল যার প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন শহীদ জিয়াউর রহমান যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিএনপি হচ্ছে সেই দল যারা চেয়ারপার্সন হচ্ছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি গণতন্ত্রকে মুক্তি দিয়েছিলেন। আজকে আবার যখন ক্রাইসিস, রাজনৈতিক সংকট, আমাদের সব কিছু নিয়ে চলে যাচ্ছে তখন আমাদেরকেই ঘুরে দাঁড়াতে হবে, আমাদেরকেই শক্ত হয়ে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেছেন, দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা জিয়াউর রহমানের দল করি, বেগম খালেদা জিয়ার দল করি। যখন সংগঠন নিজেরা তৈরি করতে যাই, তখন গ্রুপিং-গ্রপিং। আমার লোক কে, আমার লোক কে- এটা খুঁজি। এটা খোঁজা যাবে না। নেতা-কর্মীদের সংগঠিত হওয়ার আহবান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ভাই শটকাট কোনো রাস্তা নেই। একটা যুদ্ধ যখন করতে হবে সেই যুদ্ধে আপনাকে পুরোপুরিভাবে ইকুইপ্ট হতে হবে। যুদ্ধ করতেই হবে। এরা আপনাদের এমনি এমনি ক্ষমতা দিয়ে দেবে না।
একই অনুষ্ঠানে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা দলের মধ্যে নেতার সংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি করতে পেরেছি, আমরা কর্মীর সংখ্যা সেই হারে বৃদ্ধি করতে পারি নাই। সেজন্য আজকে সবাইকে কর্মীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে। নেতা সামনে আছেন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান। আর বাকীরা আমরা কর্মী- এই কথা যদি ভাবতে পারি তাহলে দেশনেত্রী মুক্তি পাবে, তারেক রহমান দেশে ফেরতও আসবেন, জাতির নেতৃত্বও তিনি দেবেন। তার নেতৃত্ব অত্যন্ত অনিবার্য এই রাষ্ট্রের জন্য। বিশেষ করে দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক শক্তির জন্য।
সূত্র মতে, করোনার এই দীর্ঘ সময়ের আগে থেকেই বিশ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টকে বাদ দিয়ে নিজেরাই কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে বিএনপি। অনেকেই বলছেন, সরকারবিরোধী আন্দোলন কিংবা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে-এ দুই জোটকে আপাতত এড়িয়ে চলার কৌশল নিয়েছে দলটি। জানা গেছে, মূলত দলে নানা বিভক্তি, গ্রুপিং এর কারণেই বিএনপি শরীক দল বা ঐক্যফ্রন্টের সাথে আন্দোলনে যাচ্ছেনা। কারণ শরীক দলে দুই একটা দল ছাড়া অন্যদের তেমন জনশক্তি নেই। তাই নিজ দলকেই শক্তিশালী করা ছাড়া গতান্তর নেই। তবে এটা সত্য, নানা ইস্যুতে দুই জোট ও বিএনপির মধ্যে দূরত্ব স্পষ্ট। এই দূরত্ব ঘোচানোর কোনো উদ্যোগও নেই। বিএনপি বলছে, জোট হয়েছে নির্বাচন ও আন্দোলন কেন্দ্রিক। এদুটি অবস্থা সামনে আসলেই সবাইকে নিয়ে বসে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। দুই জোটে কারো সাথে দূরত্ব বা দ্বন্দ্ব বিএনপির নেই।
জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,  কোভিড-১৯ কারণে দেশে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নেই বললেই চলে। সীমিত পরিসরে আমরা দলীয় কর্মসূচি পালন করছি। সে কারণে জোটের সঙ্গে কিছুটা দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। তবে সবার সঙ্গে যোগাযোগ আছে। তাছাড়া এই মুহূর্তে আমরা দল গোছানোকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কিভাবে দ্রুত সময়ে দলের পুনর্গঠন শেষ করা যায় সে লক্ষ্যে কর্মকৌশল প্রণয়ন করছি।
জানা গেছে, সবশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট ডাকাতির পর থেকে জোট ও ঐক্যফ্রন্টের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করে বিএনপির হাইকমান্ড। রাজনৈতিক কর্মকৌশল চূড়ান্তে তৃণমূলসহ বিভিন্ন মহলের পরামর্শ নেওয়া হয়। প্রায় সবাই জোটকে আপাতত গুরুত্ব না দিয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাদের পরামর্শের ওপর ভিত্তি করে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর ওপর জোর দেয় বিএনপি। দ্রুত সময়ে সংগঠন গোছাতে নেওয়া হয় নানা উদ্যোগ। সম্প্রতি দলের হাইকমান্ডের বক্তব্যে সেটির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
জানতে চাইলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্তিত্ব এখন নেই বললেই চলে। এটা এখন অনেকটা কাগজে কলমে। ফ্রন্টের বড় দল বিএনপির এ ব্যাপারে আগ্রহ কম। তাছাড়া গণফোরামের মধ্যে সমস্যা হয়েছে। আর যারা আছে তারা তো ছোট দল। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সক্রিয় হবে কিনা সেজন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।
২০ দলের অন্যতম শরিক এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, জোটের এখন কোনো কার্যক্রম নেই। বিভিন্ন কারণে বিএনপির পক্ষ থেকে কিছু সমস্যা রয়েছে। জোটকে সক্রিয় করতে বিএনপিকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
জানতে চাইলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ঐক্যফ্রন্ট মারা যায়নি কিংবা বিলুপ্তও করে দেওয়া হয়নি। বেঁচে আছে তবে কার্যত নেই। ঐক্যফ্রন্ট আলোর মুখ দেখবে কিনা জানি না। তবে দেশে যে অন্যায় অত্যাচার চলছে তাতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রয়োজন। কিন্তু সেই আন্দোলনের কোনো উদ্যোগ দেখছি না। তবে বর্তমান বাস্তবতায় দেশে ঐক্যফ্রন্টের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
বিএনপির শীর্ষ একাধিক নেতা জানান, দুটি লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ করছে বিএনপি। এর মধ্যে আগামী ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে তারা সারা দেশের কমিটিগুলো পুনর্গঠনের কাজ শেষ করতে চায়। পাশাপাশি এই সময়ে নানা ইস্যুতে সভা-সেমিনারসহ বিভিন্ন বিষয়ে মাঠে থাকবে দলটি। দল গোছানোর কাজ শেষ হলেই মূলত বিএনপি সরকার বিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঐক্য ও সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামতে চায়। সবার আগে দলকেই ঐক্যবদ্ধ করার উপর জোর দেয়া হচ্ছে।
বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে দলীয় এবং জাতীয় রাজনীতিতে অনেক কিছুই ঘটতে পারে। তাই দল গোছানোই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।  এছাড়া বিভিন্ন সময়ে নানা কারণে ক্ষুব্ধ ও মনঃক্ষুণ্ন হয়ে দলীয় কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয় হয়ে আছেন, এমন জুনিয়র ও সিনিয়র নেতাদেরও দলের কার্যক্রমে অন্তভুক্ত করা হবে। সূত্র জানায়, সারা দেশে বিএনপির জেলা, মহানগর ও থানার কমিটি পুনর্গঠনের কাজ চলছে। এর আগে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের পুনর্গঠন শুরু করেছিল। মাঝে করোনার জন্য প্রায় ছয় মাস কার্যক্রম বন্ধ ছিল। বর্তমানে তিন সংগঠনের পুনর্গঠন কাজ শেষ পর্যায়ে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফজলুর রহমান বলেন, অনেক জায়গায় ১০-১২ বছর ছাত্রদলের কমিটি ছিল না বা মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। এখন থানা, পৌরসভা, উপজেলা ও কলেজ পর্যায়ে ছাত্রদলের কমিটি গঠনের কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ হয়েছে।
সূত্র জানায়, বিএনপি গত মার্চ মাস থেকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচি শুরু হয়। এটি শেষ হবে ১৬ ডিসেম্বর। সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনে ইতিমধ্যে ১০টি বিভাগীয় এবং ১৫টি বিষয়ভিত্তিক কমিটি করা হয়েছে। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সমন্বয় কমিটিও করা হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্য বিভিন্ন দেশেও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেক স্থানে কর্মসূচি পালিতও হচ্ছে। একাধিক নেতা জানান, কয়েক মাসের মধ্যে দল গোছানোর কাজ শেষ করা। এর পরই সরকারবিরোধী বড় ঐক্য গড়ে আন্দোলনে নামা। এখন দৃশ্যত দুই জোটের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ কোনো কর্মসূচি না থাকলেও সবার সাথে যোগাযোগ রয়েছে। ২০-দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বাইরে থাকা একাধিক দলের নেতাদের সঙ্গেও  যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ঐক্যের প্ল্যাটফর্ম তৈরির জন্য খসড়া সুপারিশমালাও তৈরি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By cinn24.com
themesbazar24752150