শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নওগাঁর একুশে পরিষদের সন্মানিত উপদেষ্টা অধ্যাপক নুরুল হক আর নেই নওগাঁয় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত নওগাঁ বাস্তবায়ন ইরিবোরো সমলয় চাষের প্রদর্শনী ও মাঠ দিবস পরিদর্শন করেন মতিউর রহমান গাইবান্ধায় হয়ে গেল লোকজ সাংস্কৃতিক উৎসব মানবসেবায় এগিয়ে এলেন মধুপুর উপজেলা প্রেসক্লাব দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশের অভিযানে নকল স্বর্ণে মূর্তির আসামি সহ পাঁচজন গ্রেফতার রায়কালী উন্নয়ন ফোরামের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন কালাইয়ে শিক্ষকের পিতার ইন্তেকালে শোক প্রকাশ নওগাঁ ব্রিটিশ আমলের ২০০ বছরের পুরাতন মসজিদের সন্ধান মিলেছে হাতিমন্ডালা গ্রামে নওগাঁ পাওয়ার টিলার এর ধাক্কায় জিল্লুর রহমান নামে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু ভারতবর্ষের প্রথম রাষ্ট্রপতি ড, রাজেন্দ্র প্রসাদ এর প্রয়াণ দিবস আজঃ নওগাঁ ধামইরহাটে যুবলীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে চার পুলিশ হত্যা দিবস পালিত নওগাঁ প্রাইভেট কার থেকে ৭২ কেজি গাঁজাসহ মুনির হোসেন নামে এক জন গ্রেপ্তার বগুড়ায় গাঁজাসহ এক মাদক কারবারি আটক জয়পুরহাটের এসপি নুরে আলম বিপিএম- পদক পেলেন চট্টগ্রাম চকবাজার থানা এলাকায় চাঁদাবাজির মহোৎসবের নেপথ্যে নায়ক থানার অবৈধ ক্যাশিয়ার বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত কালাইয়ে ব্র্যাকের উদ্যোগে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে গণনাটক অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে পুলিশ সদস্যের বাড়িতে কলেজ ছাত্রীর অনশন

পিতার দেনা থেকে পরিত্রাণের পথ খুঁজছেন উত্তরাধিকারীরা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৬ মে, ২০২১
  • ২৫১ বার পঠিত

১৯৬০ সালে ট্রেডিং ব্যবসার মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন সদ্যপ্রয়াত শিল্পপতি দীন মোহাম্মদ। ফিনিক্স গ্রুপ ও অ্যাপোলো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের অধীনে ডজন খানেক শিল্প ও সেবাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন তিনি। তার গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাঁচটি বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেডের ব্যবসায়িক ও আর্থিক অবস্থা বেশ কয়েক বছর ধরেই নাজুক অবস্থানে রয়েছে। ঋণের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থা মৃতপ্রায়। এ অবস্থায় দীন মোহাম্মদের প্রয়াণের পর তার উত্তরাধিকারীরা দেনা থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজনে কোম্পানিটি বিক্রি করে দেয়ার কথাও ভাবছেন বলে জানা গেছে।

গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দীন মোহাম্মদ। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। ১৯৩৮ সালে জন্মগ্রহণকারী দীন মোহাম্মদ ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিকিউরিটিজ, টেক্সটাইল, পোশাক কারখানা, ইস্পাত কারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। এর মধ্যে ফিনিক্স গ্রুপের আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে ফিনিক্স স্পিনিং মিলস, ফিনিক্স টেক্সটাইল মিলস, ফিনিক্স ফ্যাব্রিকস, ফিনিক্স হোল্ডিংস, ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ফিনিক্স সিকিউরিটিজ, রংধনু স্পিনিং মিলস, ইস্টার্ন ডায়িং অ্যান্ড ক্যালেন্ডারিং ওয়ার্কস, পলাশ স্পিনিং মিলস লিমিটেড। অ্যাপোলো গ্রুপের অধীনে রয়েছে ঢেউটিন প্রস্তুতকারী কোম্পানি অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড। তাছাড়া তিনি সিটি ব্যাংকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্যোক্তা পরিচালক ছিলেন। ব্যাংকটির চেয়ারম্যানেরও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি ফাইন্যান্সেও বিনিয়োগ ছিল তার।

সফল ব্যবসায়ী হিসেবে সুনাম কুড়ালেও অ্যাপোলো ইস্পাতের ব্যর্থতার কারণে দীন মোহাম্মদকে বেশ ভুগতে হয়েছে। কোম্পানিটিকে টেনে তুলেতে নিজের ব্যক্তিগত অর্থ ঢেলেও সফল হননি তিনি। উল্টো দিন দিন ঋণের দায় আরো বেড়েছে। তা সত্ত্বেও জীবদ্দশায় নিজ হাতে গড়া কোম্পানিটিকে বিক্রি করতে চাননি দীন মোহাম্মদ।

দীন মোহাম্মদ ও মো. আনসার আলীর উদ্যোগে অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড যাত্রা করে ১৯৯৪ সালে। কোম্পানিটি রানী মার্কা নামে ঢেউটিন বাজারজাত করে। কোম্পানিটির প্রথম সিজিএল ইউনিটের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয় ১৯৯৭ সালে। দ্বিতীয় সিজিএল ইউনিট উৎপাদনে যায় ২০০২ সালে আর ২০০৫ সালে শুরু হয় সিআরএম ইউনিটের উৎপাদন।

২০১৩ সালে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে শেয়ারপ্রতি ১২ টাকা প্রিমিয়ামে বাজার থেকে ২২০ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলন করে কোম্পানিটি। মূলত নতুন এনওএফ প্লান্ট স্থাপন ও ব্যাংকঋণ পরিশোধের জন্য পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করেছিল কোম্পানিটি। কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির সময় তত্কালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) চিঠি দিয়ে আইপিও অনুমোদন না দেয়ার অনুরোধও করেছিলেন। তা সত্ত্বেও কমিশন কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন করে। অ্যাপোলো ইস্পাতের পারফরম্যান্সের অধোগতি শুরু মূলত ২০১৬ সালের শেষের দিকে। ডিএসইকে দেয়া তথ্যানুসারে, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জিংক পট (যেখানে গ্যালভানাইজিং করা হয়) ভেঙে যাওয়ার কারণে কোম্পানিটির সিজিএল-২ ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৭-১৮ হিসাব বছর থেকেই কোম্পানিটির বিক্রি ও মুনাফা ক্রমনিম্নমুখী। সর্বশেষ ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে ৩৮৬ কোটি টাকা বিক্রির বিপরীতে মুনাফা হয়েছে মাত্র ২ কোটি ১৪ লাখ টাকা। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত লোকসানে ছিল কোম্পানিটি। অবশ্য এর পর থেকে কোম্পানিটির বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন আর প্রকাশ করা হচ্ছে না। ফলে কোম্পানিটির সর্বশেষ আর্থিক তথ্য সম্পর্কেও অন্ধকারে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

অ্যাপোলো ইস্পাতের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির ৭০ কোটি টাকা দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ও ২৩৫ কোটি টাকার স্বল্পমেয়াদি ঋণ রয়েছে। তাছাড়া ৮১ কোটি টাকার ওভারড্রাফটও রয়েছে তাদের। অ্যাপোলো ইস্পাতকে ঋণ দেয়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে যমুনা ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, আইএফআইসি, মার্কেন্টাইল, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি), এনসিসি ও এসআইবিএল। আর ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, জিএসপি ফাইন্যান্স, ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, মাইডাস ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল।

অ্যাপোলো ইস্পাতের সার্বিক এ দুরবস্থার কারণে এর প্রতিষ্ঠাতা দীন মোহাম্মদের মৃত্যুর পর তার ছেলে মোহাম্মদ শোয়েব এবং দুই মেয়ে মেহেরুন হক ও ইভানা ফাহমিদা মোহাম্মদ চাইছেন যেকোনোভাবেই হোক ঋণের দায় থেকে মুক্তি পেতে। এ বিষয়ে দীন মোহাম্মদের ছেলে মোহাম্মদ শোয়েব ও মেয়ে ইভানা ফাহমিদা মোহাম্মদের সঙ্গে কথা হয় । অ্যাপোলো ইস্পাত ঋণখেলাপি হয়ে যাওয়ার কারণে সিআইবি প্রতিবেদন নেতিবাচক আসায় ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের পদ হারিয়েছেন তারা দুজন। তারা দুজনই কোম্পানিটির দুরবস্থার জন্য তাদের পিতার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে কতিপয় কর্মকর্তার লুটপাট ও দুর্নীতিকে দায়ী করেছেন।

তারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই দীন মোহাম্মদ ডিমেনশিয়ায় (স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া) ভুগছিলেন। আর এর সুযোগ নিয়ে কোম্পানিটির কয়েকজন কর্মকর্তা অর্থ লোপাট করেছেন। এর মধ্যে চলতি বছরের মার্চে কোম্পানিটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) রাজীব হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা, জালিয়াতি, অনিয়ম ও প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানির কাছে তথ্য পাচারের অভিযোগে রাজধানীর তেঁজগাও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলা করে অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। এ মামলায় তাকে গ্রেফতারও করে পুলিশ।

দীন মোহাম্মদের ছেলে ও অ্যাপোলো ইস্পাতের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শোয়েব  বলেন, অ্যাপোলো ইস্পাতের অবস্থা এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেভাবেই হোক আমরা এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে চাই। রুগ্ণ এ কোম্পানির জন্য গ্রুপের অন্য কোম্পানিগুলো সমস্যায় পড়ুক সেটা চাই না। এরই মধ্যে আমরা ঋণদাতা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি। তাদের কাছে আমরা ঋণের সুদ মওকুফ করে আমাদের কিছুটা ছাড় দেয়ার দাবি জানিয়েছি। যদি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড় দেয় তাহলে কোম্পানির অবস্থা পরিবর্তন করা যাবে। বর্তমানে প্রতি মাসে ৯ কোটি টাকা ঋণের কিস্তি গুনতে হয়। অথচ যদি কোম্পানিটি পূর্ণাঙ্গ সক্ষমতায় উৎপাদনে যায় তাহলে মাসে সাড়ে ৫ কোটি টাকা মুনাফা আসবে। এর পুরোটা দিয়ে দিলেও ঋণ শোধ করা সম্ভব হবে না। তাই এক্ষেত্রে আমরা ছাড় চাইছি। তাছাড়া যদি কেউ কোম্পানিটির সব দায়দেনাসহ কিনে নিতে চায় তাহলে আমরা তাতেও রাজি আছি। যেভাবেই হোক ঋণের দায় থেকে আমরা মুক্ত হতে চাইছি।

বর্তমানে দীন মোহাম্মদের সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টনের প্রক্রিয়া চলছে। জীবদ্দশায় সিটি ব্যাংকের কিছু শেয়ার ছেলেমেয়েকে দিয়ে গিয়েছেন দীন মোহাম্মদ। গুলশানের বাড়িটিও তিনি বেঁচে থাকতেই তার বড় মেয়ে মেহেরুন হককে দিয়ে যান। এছাড়া তার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলো পরিচালনার মূল দায়িত্ব ছেলে মোহাম্মদ শোয়েবের কাছে থাকবে। তার মেয়ে ইভানা ফাহমিদা এক্ষেত্রে তাকে সহায়তা করবেন।

জানতে চাইলে দীন মোহাম্মদের ছোট মেয়ে ও অ্যাপোলো ইস্পাতের পরিচালক ইভানা ফাহমিদা মোহাম্মদ বণিক বার্তাকে বলেন, আমার বাবা বড় ভাইকে দেখাশোনার গুরুদায়িত্ব দিয়ে গেছেন। আমাকেও বলেছেন তাকে সহায়তা করার জন্য। বাবা মারা গেছেন বেশি দিন হয়নি। এখনো পারিবারিক সম্পত্তি বণ্টন হয়নি। তবে এ নিয়ে কোনো জটিলতা নেই। ইসলামী শরিয়াহ অনুসারেই সবকিছু বণ্টন করা হবে। ঋণের দায়দেনা থেকে মুক্তি পেতে উপযুক্ত ক্রেতা পেলে অ্যাপোলো ইস্পাত বিক্রি করে দিতে চাই। তালিকাভুক্ত কোম্পানি হওয়ার কারণে এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব বিধিবিধান মেনেই বিক্রি করা।

২০১৮-১৯ হিসাব বছরের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজনে ব্যর্থ হওয়ার কারণে গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে স্টক এক্সচেঞ্জে বি ক্যাটাগরি থেকে জেড ক্যাটাগরিতে অবনমন হয় কোম্পানিটির। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও হাইকোর্টের কাছ থেকে আদেশ পাওয়ার আগ পর্যন্ত এজিএম আয়োজন স্থগিত করেছে কোম্পানিটি।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্সের উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে কোম্পানিটির ২০ দশমিক ২৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। সিকিউরিটিজ আইনানুসারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পর্ষদে এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার থাকা বাধ্যতামূলক। এক্ষেত্রে শেয়ারধারণে ব্যর্থ হলে কোম্পানির পর্ষদ পুনর্গঠন করার বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে কমিশনের। সম্প্রতি এমন বেশ কয়েকটি কোম্পানির পর্ষদ পুনর্গঠনও করেছে বিএসইসি। শেয়ারধারণের বিষয়ে অ্যাপোলো ইস্পাতের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে কমিশনের। এক্ষেত্রে শেয়ারধারণে কোম্পানিটি কিছুটা সময় চেয়েছে কমিশনের কাছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By cinn24.com
themesbazar24752150