শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত নওগাঁর মান্দায় বিষাক্ত চোয়ানী ও মদপানে ৩ যুবকের মৃত্যু মধুপুরের ইদিলপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্র্যান্ড মিট- আপ-২০২৪ অনুষ্ঠিত নওগাঁ সহ বিভিন্ন উপজেলায় সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকা কালাইয়ের উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পবিত্র ঈদুল ফিতরের সালাত অনুষ্ঠিত নওগাঁর ধামুইরহাট থেকে ধর্ষক ইয়ানুর নামে এক জন কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫ নওগাঁ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে গ্রাম পুলিশদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন পুলিশ সুপার মধুপুরে এক গৃহবধূর রহস্য জনক মৃত্যু গাইবান্দা পলাশ বাড়িতে সাব রেজিস্টার অফিসে গণমাধ্যম কর্মী শেখ আসাদুজ্জামান টিটুর উপর সন্ত্রাসী হামলা। বায়তুল মোকাররমে পালিত হয়ে গেলো সায়েম সোবহানের মাসব্যাপী ইফতার বিতরণ কচুয়া বালিয়াতলী ১৯লক্ষ টাকায় মসজিদের মিনার উদ্বোধন সম্পন্ন নওগাঁ জেলার পত্নীতলায় বাংলাদেশ স্কাউট দিবস পালিত মধুপুরে সিএনজি ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে মা নিহিত ছেলে আহত নওগার মান্দায় পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে ১ লক্ষ্য টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ নওগাঁয় ৮৬৭০ জন কৃষকের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ শোক সংবাদ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নওগাঁ জেলার সভাপতি নির্মল কৃষ্ণ আর নেই নওগাঁয় সংবাদ সংগ্রহের সময় ফাঁড়ি ইনচার্জের হাতে সাংবাদিক লাঞ্চিতঃ নওগাঁর মান্দায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ঈদসামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মধুপুরে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ৮জন গ্রামপুলিশকে পুরস্কৃত দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশের আয়োজনে গ্রাম পুলিশের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

শিশু আদালতে বিচার চেয়ে মারুফ রেজার আবেদন খারিজ হয়েছে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩৯৪ বার পঠিত

ঢাকা থেকে শহীদুল ইসলামঃ- রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে চাঞ্চল্যকর সগিরা মোর্শেদ হত্যার ঘটনায় আসামি মারুফ রেজার বিচার শিশু আদালতে করার নির্দেশনা চেয়ে করা আবেদন উত্থপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেছেন হাইকোর্ট।

১০ নভেম্বর বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ জারি করে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন,দেওয়ান আব্দুন নাসের। আদেশের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন।
বিচারিক আদালতে মামলাটি বর্তমান অভিযোগ গঠন পর্যায়ে রয়েছে। এ অবস্থায় সম্প্রতি আসামি মারুফ রেজা তার বিচার শিশু আইনে করার জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করেন।

আসামিপক্ষের যুক্তি, ‘অপরাধ যখন সংঘটিত হয়েছে তখন আসামির বয়স ছিল ১৬ বছর ১০ মাস ২৬ দিন। সুতরাং ২০১৩ সালের শিশু আইনানুযায়ী তার বিচার হতে হবে শিশু আদালতেই।

মহানগর দায়রা জজ আদালতে এই আসামির বিচার হতে পারে না। ’
গত ৭ অক্টোবর এ আবেদন খারিজ হওয়ার পর মারুফ রেজার পক্ষে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করা হয় বলে জানান তার আইনজীবী দেওয়ান আব্দুন নাসের।

এর আগে ৯ নভেম্বর সগিরা মোর্শেদ হত্যার ঘটনায় আসামিপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ আগামী ২৬ নভেম্বর অভিযোগ শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।

এ মামলায় কয়েক দফায় অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়ে যায়। এরপর গত ৭ অক্টোবর আসামি মারুফ রেজা ঘটনার সময় অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছিলেন বলে তার বিচার শিশু আইনে করার আবেদন করেন। এছাড়া মন্টু ঘোষ নামে একজন অব্যাহতির (ডিসচার্জ) আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে এ আবেদনের বিরোধিতা করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক আবেদন ২টি নামঞ্জুর করে ৯ নভেম্বর অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছিলেন।

৯ নভেম্বর বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, আসামিপক্ষ সোমবার (৯ নভেম্বর) দুটি দরখাস্ত দাখিল করে। তার মধ্যে একটি আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল অসুস্থ থাকায় সময় চেয়ে আবেদন। অপর আসামি হলেন মারুফ রেজার অপ্রাপ্ত বয়স্ক হিসেবে যে তার বিচার শিশু আইনে করার আবেদন নামঞ্জুর বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিভিশন আবেদন করা হয়েছে। তাই এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশ দাখিলে আরেকটি সময় আবেদন করে।

তিনি আরও বলেন, মারুফ রেজার বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ দাখিলের জন্য আগামী ২৬ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। আদেশ দাখিল করতে না পারলে সেদিনই অভিযোগ গঠন শুনানি হবে।

এ ঘটনার ৩০ বছর পর ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চারজনের বিরুদ্ধে গত ১৪ জানুয়ারি আদালতে দেয়া এক হাজার ৩০৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র রাষ্ট্রপক্ষে মোট ৫৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। মামলার আসামিরা হলেন-নিহত সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন, হাসান আলীর শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান ও ভাড়াটে খুনি মারুফ রেজা। এছাড়া পূর্ববর্তী অভিযোগপত্রে মন্টু ঘোষের নাম ছিল।

গত ৯ মার্চ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন একই আদালত। সেদিনই অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১৫ মার্চ দিন ঠিক করা হয়। তবে করোনা পরিস্থিতিতে আদালত বন্ধ থাকায় শুনানি পিছিয়ে যায়।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সগিরা মোর্শেদ সালাম ভিকারুননিসা স্কুল থেকে মেয়েকে আনতে যাচ্ছিলেন। বিকেল ৫টার দিকে সিদ্ধেশ্বরী রোডে পৌঁছামাত্র মোটরসাইকেলে আসা ছিনতাইকারীরা তার হাতের সোনার চুড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তিনি দৌড় দিলে তাকে গুলি করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই সগিরা মোর্শেদ সালামের মৃত্যু হয়।

ওইদিনই রমনা থানায় অজ্ঞাতপরিচয়দের বিরুদ্ধে মামলা করেন সগিরা মোর্শেদ সালামের স্বামী সালাম চৌধুরী। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রিকশাচালক জড়িত ২ জনকে শনাক্ত করলেও অজ্ঞাতকারণে মিন্টু ওরফে মন্টু ওরফে মরণ নামে একজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।

১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি আসামি মন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু বকর সিদ্দীক। সাক্ষ্য নেওয়া হয় ৭ জনের সাক্ষ্যে বাদীপক্ষ থেকে বলা হয়, তদন্তকালে আসামি মন্টু এবং তৎকালীন (১৯৮৯) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানের নিকটাত্মীয় মারুফ রেজা গ্রেফতার হন। কিন্তু মারুফ রেজার নাম বাদ দিয়েই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে মারুফ রেজার নাম আসায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে ১৯৯১ সালের ২৩ মে মামলার অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন ঢাকার বিচারিক আদালত। ওই আদেশের বিরুদ্ধে মারুফ রেজার রিভিশন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯১ সালের ২ জুলাই হাইকোর্ট মামলাটির অধিকতর তদন্তের আদেশ ও বিচারকাজ ৬ মাসের জন্য স্থগিত করার পাশাপাশি অধিকতর তদন্তের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

পরের বছর ২৭ আগস্ট জারি করা রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই মামলার বিচারকাজ স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এ মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা সম্প্রতি বিষয়টি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের নজরে আনলে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেয় রাষ্ট্রপক্ষ। এরপর বিষয়টি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে তোলা হলে আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By cinn24.com
themesbazar24752150