শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নওগাঁর একুশে পরিষদের সন্মানিত উপদেষ্টা অধ্যাপক নুরুল হক আর নেই নওগাঁয় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত নওগাঁ বাস্তবায়ন ইরিবোরো সমলয় চাষের প্রদর্শনী ও মাঠ দিবস পরিদর্শন করেন মতিউর রহমান গাইবান্ধায় হয়ে গেল লোকজ সাংস্কৃতিক উৎসব মানবসেবায় এগিয়ে এলেন মধুপুর উপজেলা প্রেসক্লাব দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশের অভিযানে নকল স্বর্ণে মূর্তির আসামি সহ পাঁচজন গ্রেফতার রায়কালী উন্নয়ন ফোরামের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন কালাইয়ে শিক্ষকের পিতার ইন্তেকালে শোক প্রকাশ নওগাঁ ব্রিটিশ আমলের ২০০ বছরের পুরাতন মসজিদের সন্ধান মিলেছে হাতিমন্ডালা গ্রামে নওগাঁ পাওয়ার টিলার এর ধাক্কায় জিল্লুর রহমান নামে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু ভারতবর্ষের প্রথম রাষ্ট্রপতি ড, রাজেন্দ্র প্রসাদ এর প্রয়াণ দিবস আজঃ নওগাঁ ধামইরহাটে যুবলীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে চার পুলিশ হত্যা দিবস পালিত নওগাঁ প্রাইভেট কার থেকে ৭২ কেজি গাঁজাসহ মুনির হোসেন নামে এক জন গ্রেপ্তার বগুড়ায় গাঁজাসহ এক মাদক কারবারি আটক জয়পুরহাটের এসপি নুরে আলম বিপিএম- পদক পেলেন চট্টগ্রাম চকবাজার থানা এলাকায় চাঁদাবাজির মহোৎসবের নেপথ্যে নায়ক থানার অবৈধ ক্যাশিয়ার বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত কালাইয়ে ব্র্যাকের উদ্যোগে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে গণনাটক অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে পুলিশ সদস্যের বাড়িতে কলেজ ছাত্রীর অনশন

৫০০ গোল করতে চাই : সাবিনা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২১ জুন, ২০২১
  • ২০৭ বার পঠিত

বাংলাদেশে মেয়েদের ফুটবলে তার পরিচয় ‘গোল মেশিন’ নামে। ম্যাচের পর ম্যাচে মুড়ি-মুড়কির মতো গোল করেই খেতাবটা পেয়েছেন সাবিনা খাতুন। দেশের প্রথম নারী ফুটবলার হিসেবে খেলেছেন বিদেশি পেশাদার লিগে। ফুটবল পায়ে এমন আরও অনেক প্রথমের জন্ম দিয়েছেন সাতক্ষীরার এই ২৮ বছর বয়সি মেয়ে। রোববার মেয়েদের প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় পর্ব শুরুর দিনেই প্রথম ফুটবলার হিসেবে লিগে ১০০ গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। তবে দেশে এবং দেশের বাইরে ঘরোয়া অন্য প্রতিযোগিতা আর জাতীয় দল মিলিয়ে সাবিনার গোলসংখ্যা এখন ২৯৭টি। ১৯৯৩ সালের ২৫ অক্টোবর সাতক্ষীরায় মোহাম্মদ সাইদ গাজী আর মুমতাজ বেগমের ঘরে জন্ম নেওয়া সাবিনা অনাগত দিনগুলোতেও গোল করে যেতে চান ধারাবাহিকভাবে। ক্যারিয়ার শেষে নিজের নামের পাশে অন্তত ৫০০ গোল দেখতে চান এই স্ট্রাইকার। সময়ের আলোকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে জানালেন এমনটাইÑ
প্রশ্ন : প্রথম ফুটবলার হিসেবে মেয়েদের লিগে ১০০ গোল, অনুভূতিটা কেমন?

সাবিনা : অনুভূতি আসলে অন্যরকম ছিল। কারণ, এটা অনেক বড় একটা পাওয়া।

প্রশ্ন : আপনার ক্লাব বসুন্ধরা কিংস যেভাবে উপলক্ষটা উদযাপন করল, সেটা মনে ধরেছে নিশ্চয়ই?
সাবিনা : বসুন্ধরা কিংস যেভাবে উদযাপন করল, টিমটাকে আরও সুন্দর করে দিয়েছে, এটাতে আসলে মনটা ভরে গেছে। ক্লাবকে ধন্যবাদ জানালে আসলে ছোট করা হবে। তাই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাচ্ছি।
প্রশ্ন : আপনার এই কীর্তি অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা কি?
সাবিনা : অবশ্যই, অবশ্যই অনুপ্রেরণার। এটা দেখে মেয়েরা ফুটবলের প্রতি আগ্রহী হবে, যারা খেলছে তারা আরও সামনে অগ্রসর হতে চাইবে।
প্রশ্ন : আপনার ফুটবলার হয়ে ওঠার গল্পটা জানতে চাই।
সাবিনা : এটা তো অনেক বড় কাহিনি।
প্রশ্ন : সংক্ষেপে বলুন।
সাবিনা : আমার জেলায় (সাতক্ষীরা) যিনি কোচ ছিলেন, ওনার হাত ধরেই আমার ফুটবলে আসা। ওনার নাম মোহাম্মদ আকবর আলী। আমার ফুটবলার হয়ে ওঠার পেছনে ওনার সব থেকে বড় অবদান। অবদান আছে আমার পরিবারেরও। ২০০৮ সালে আমি ঢাকায় আসি, ন্যাশনাল ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে। সিটিসেল ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপ নামে তখন একটা আন্তঃজেলা টুর্নামেন্ট হতো। সেখান থেকেই জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পাই। ২০০৯ সালে ক্যাম্পে উঠি। ওই বছরের শেষদিকে যে সাউথ এশিয়ান গেমস হয়, ওই গেমস থেকেই আসলে (জাতীয় দলে) আমার যাত্রা শুরু।
প্রশ্ন : সাতক্ষীরার মতো একটা জায়গা থেকে মেয়েদের ফুটবলে উঠে আসা, অনুপ্রেরণা পেলেন কোথা থেকে?

সাবিনা : আমার পরিবারই হচ্ছে সব থেকে বড় অনুপ্রেরণা। বিশেষ করে আমার বড় বোন। আমার পরিবার খেলাধুলার ক্ষেত্রে কখনই বাধা দেয়নি বরং উৎসাহ দিয়েছে। খেলাটা ছিল আমার নেশা। আমি ছোটবেলা থেকেই ছেলেদের সঙ্গে খেলতাম। আমার জন্য কাজটা তাই খুব কঠিন ছিল না।
প্রশ্ন : জাতীয় দলের জার্সিতে কোনো লক্ষ্য?
সাবিনা : বাংলাদেশকে একটা ভালো কিছু উপহার দিয়ে যেতে চাই। ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলে যেতে চাই। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে চাই।
প্রশ্ন : ক্লাব আর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার মিলিয়ে আপনার গোলসংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়ে গেছে। ক্যারিয়ার শেষে নামের পাশে কত গোল দেখতে চান?
সাবিনা : (৫০০ গোল করার) একটা লক্ষ্য তো আছেই। আমি এখন যেভাবে খেলে যাচ্ছি, এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখব, সেটাই এখন চাই। গোল করে যেতে চাই।
প্রশ্ন : মেয়েদের যে লিগটা হচ্ছে, এই লিগ নিয়ে আপনার অভিমত?
সাবিনা : সত্যিকার অর্থে লিগটা খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নয়। তবে মেয়েদের ফুটবল মাঠে গড়ানোটা খুবই জরুরি ছিল। এটা চলমান থাকলে অবশ্যই দিনকে দিন আরও ভালো হবে এবং আমি সেই প্রত্যাশাই রাখি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By cinn24.com
themesbazar24752150